শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী ২০২২, ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন

চয়নিকা চৌধুরী ইন্ডিয়ান ‘র’য়ের এজেন্ট-পিনাকী ভট্টাচার্য

নগদ নিউজ ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৭ আগস্ট, ২০২১

চিত্রনায়িকা পরিমণির সাথে চয়নিকা চৌধুরীর একটা সম্পর্ক রয়েছে সেটা সকলের জানা এমনকি পরিমণি আর চয়নিকা চৌধুরী মা মেয়ের সম্পর্ক সেটাও অনেকে মনে করে। পরিমণি যদিও মুসলিম চয়নিকা চৌধুরী হিন্দু।
আজ রাতে চয়নিকা চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করার পর ছেড়ে দিতে হয় বিষয়টা আদালত পর্যন্ত গড়ানোর আগে।
এর কারনটা কি। কেন এমন হলো চয়নীয় চৌধুরীর কি এমন স্পেশাল পাওয়ার যার কারনে ঠিকঠাক জিজ্ঞেস না করেই ছেড়ে দেওয়া হলো। পিনাকী ভট্টাচার্যের দাবী চয়নিকা চৌধুরী ইন্ডিয়ান র’ এর এজেন্ট তার কাজ হলো এদেশের এমপি-মন্ত্রী সরকারী আমলাদের কাছে মেয়ে সাপ্লাই দিয়ে সেটার ভিডিও রেকর্ড তৈরি করে জিম্মি করে রাখাই মুল উদ্দেশ্য। আর এটার জন্য টোপ হিসাবে পরীমনিসহ নায়িকা, মডেলদের ব্যবহার করা হয়।
পিনাকী ভট্টাচার্যের একটা লেখা হুবুহু তুলে ধরা হলো।

চয়নিকা চৌধুরী গ্রেপ্তার হয়েছে। ঘটনাটার রাজনৈতিক বিশ্লেষণ কি ?

তাহলে চয়নিকা চৌধুরী কে এবং কী করতো সেটা সম্পর্কে আমাদের ধারণা থাকতে হবে। চয়নিকা হচ্ছে সেই মক্ষিরানী যে “র” এর হানি ট্র‍্যাপ ম্যানেজ করতো।এই মহিলা সেই মানুষ যে অসংখ্য নারীকে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের মনোরঞ্জনের জন্য পাঠিয়ে তাদের একান্ত মুহুর্তের ছবি ভিডিও তুলে সেটা “র” এর হাতে তুলে দিয়েছে বলে অনেক আগে থেকেই কানাঘুষা শোনা গেছে। তার খপ্পড়ে পড়া কোন নারী যদি এই পাপচক্র থেকে বের হয়ে আসার চেষ্টা করতো সে তার নামে স্ক্যান্ডাল ছড়াতো এই মিডিয়াতেই। চয়নিকা চৌধুরী ছিলো “র” এর গুরুত্বপূর্ণ অপারেটর।

এবার নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন, পরিমণীর গ্রেপ্তার নিয়ে আমি যেই অনুমানের কথা গতকাল বলেছিলাম তা আস্তে আস্তে শেইপ পাচ্ছে।
শুধু “র” কে ম্যানেজ করাটা হয়তো হাসিনার জন্য তুলনামূলক সহজ ছিলো কিন্তু “র” যখন সি আই এ র মিশন বাস্তবায়নের জন্য একইসাথে কাজ শুরু করলো সেটা হাসিনা সরকারের জন্য মারাত্মক সমস্যা তৈরি করলো। ঘটনা এমন জায়গায় গিয়ে পৌছুলো যে চীনের সাথে সে ভ্যাক্সিনের চুক্তিটা পর্যন্ত গোপনে করতে পারলো না। “র” গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের এমন জালে আটকে ফেললো যে শেখ হাসিনার জন্য রাষ্ট্র পরিচালনাই দুরূহ হয়ে উঠলো। শেখ হাসিনাকে যদি ফাংশন করতে হয় তাহলে “র” এর জালে আটকে থাকা মানুষগুলোকে মুক্ত করতে হবে। সেই পথেই এগুচ্ছে হাসিনা।

কিন্তু হাসিনা কী পারবে শেষ পর্যন্ত তার প্রশাসন আর দলকে “র” এর খপ্পর থেকে বের করে আনতে? আমরা জানিনা। আমরা কামনা করতে পারি তিনি বের হয়ে আসুন কিন্তু এটা খুবই জটিল পথ। কারণ এই পথটা তিনি নিজেই তৈরি করেছিলেন যখন তিনি ২০০৮ এ ক্ষমতা নিয়েছিলেন। তিনি নিজেই ভারতের প্রত্যক্ষ সমর্থন কামনা করেছেন। তিনি নিজেই বাংলাদেশে ভারতের সকল স্বার্থকে উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। তিনি নিজেই এমন ব্যবস্থা করেছেন যেন বিএনপি নেতা সালাউদ্দিনকে র‍্যাব ধরে সীমান্তের ওপারে পাঠিয়ে দিতে পারে। হাইকোর্টের সামনে থেকে সুখরঞ্জন বালিকে মাইক্রোবাসে তুলে ভারতের কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া যায়।

পরাশক্তির চাপ মোকাবেলা করতে হয় জনগনের শক্তির উপরে ভর করে। হাসিনা সেইটাকে উপেক্ষা করেছেন সেই প্রথম থেকে। ২০০৯ সাল থেকে তিনি মনেই করেন নাই জনগনের সমর্থনের উনার প্রয়োজন আছে বা জনগনের কাছে জবাবদিহিতার তার প্রয়োজন আছে।

স্বৈ*রাচারকে শেষ বিপদে ফেলে জনবিচ্ছিন্নতা। আমরা আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করবো শেখ হাসিনা কীভাবে তার করাপ্ট প্রশাসন দিয়ে “র” এর সাথে দ্বৈরথ লড়ে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো কিছু জনপ্রিয় সংবাদ

© All rights reserved © 2021 NagadNewsBD.Com
Design & Development BY Hostitbd.Com