শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী ২০২২, ০২:১২ পূর্বাহ্ন

রোহিঙ্গাদের দাবি চট্রগ্রাম কক্সবাজার মিয়ানমারের অঞ্চল

নগদ নিউজ কক্সবাজার প্রতিনিধি
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৩ জুলাই, ২০২১

বাংলাদেশে সর্বপ্রথম রোহিঙ্গারা আসেন ১৯৭০ সালে সংখ্যায় ছিলো অনেক কম কিন্তু ২০১৭ সালের ২৫শে আগষ্টের পর লাখ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী এদেশে চলে আসেন নাফ নদী পাড়ি দিয়ে এদেশে অবস্থা করেন।  সে সময় বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া পেয়েছেন মাদার অব হিউম্যানিটি উপাধি।

বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো জন্য কাজ শুরু করেন ২০১৮ সাল থেকে প্রায় ৩ বছর ধরে চেষ্টা করে পায়নি কোন সমাধান সেই রোহিঙ্গা এখন এদেশের বিষফোঁড়া।

রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী জঙ্গি গোষ্ঠীর নাম আল-ইয়াকীন। আল-ইয়াকীনে রয়েছে প্রায় ৩ হাজারের মত সদস্য এবং ৩০০ জনের মত নারী সদস্য। সাম্প্রতিক সময়ে উখিয়ার বালুখালী ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটেছে সেটার সু্ত্র আধিপত্য বিস্তারের জন্যই।আল-ইয়াকীন কাজ করে যাচ্ছে এ নিয়ে।
তারা চাঁদাবাজি, নারী পাচার এবং মাদকের ব্যবসায় প্রকাশ্য ভাবে জড়িত।

বাংলাদেশ সরকার চাইলেও পারছেনা নারী পাচার চাঁদাবাজি মাদক ব্যবসা রোধ করতে এর অন্যতম কারন তারা বাংলাদেশে বসবাস করে মিয়ানমারের সরকারী সীম এমপিটি ব্যবহার করছেন ফলে বাংলাদেশে সরকার চাইলেও তাদের অবস্থান ট্র্যাক করতে পারছেন না। বর্তমানে কক্সবাজারে বাংলাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক রবির, মিয়ানমার সরকার বাংলাদেশের সীমান্তে তাদের সরকারী এমপিটি নেটওয়ার্ক টাওয়ার স্থাপন করার ফলে রবির চেয়েও শক্তিশালী নেটওয়ার্ক হলো এমপিটি যাহা বর্তমানে রোহিঙ্গারা ব্যবহার করছেন। সাম্প্রতিক সময় কালে একটি ভিডিও বার্তায় রোহিঙ্গা আল-ইয়াকীনের নেতারা দাবি করেন চট্রগ্রাম কক্সবাজার আরাকানের অংশ। তারা এতোদিন মিয়ানমারের রাখাইনে ছিলো এখন তারা তাদের আর একটা রাজ্য কক্সবাজারের এসেছেন।
কিছুদিন আগে তারা একটা মিটিংয়ে তাদের প্রথম পরিকল্পনা শেয়ার করেছিলেন সেটা হলো কক্সবাজার থানায় আক্রমণ করে এবং এর মাধ্যমে জানান দেওয়া তাদের দাবী সম্পর্কে, এটা এদেশের গোয়েন্দা সংস্থা নজরে রয়েছে।
কিন্তু তারা কোন পদক্ষেপ নিতে পারছেন না তাদের বিরুদ্ধে, আল-ইয়াকীনে রয়েছে অত্যাধুনিক ভারি অস্ত্র ও গোলা বারুদ এটা কি পাবে পেয়েছে এবং কিভাবে মজুদ করলো কারাই বা এগুলো সরবরাহ করলো এই প্রশ্নের উত্তর জানা নেই এদেশের সরকারে। রোহিঙ্গারা কক্সবাজারের স্হানীয় বাঙ্গালীদের ধরে তাদের আত্নীয় স্বজনের কাছ থেকে দাবী করছেন মুক্তিপন। মুক্তিপন না পেলে ফেলছেন মেরে। রোহিঙ্গারা কিছু দিন আগে বিক্ষোভ করেছেন বাংলাদেশে সরকারের বিপক্ষে তাদের অভিযোগ সরকার তাদেরকে রেশন এবং মাসিক ভাতা প্রদান করার কথা থাকলেও করেনি ঠিকমত।
দিন দিন কেন ক্রমেই নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে যাচ্ছে কক্সবাজা এলাকা।
রোহিঙ্গা এদেশের জাতীয় পরিচয় পত্র পাসপোর্ট সংগ্রহ করছেন অনেক ভাবে।

কক্সবাজারে অবস্থিত রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আল-ইয়াকীন অতৎপরতা এবং বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতির এক ব্যাপক ষড়যন্ত্র চলছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন,রোহিঙ্গাদের মৌলিক মানবিক চাহিদা পূরনের জন্য যা কিছু করার প্রয়োজন তার সবকিছু বাংলাদেশ সরকার করছেন এবং করে যাবে কিন্তু সন্ত্রাসী জঙ্গি তৎপরতা সহ্য করা হবে না।
রোহিঙ্গারা এখন এদেশের বিষ ফোঁড়া হয়ে আছে। বাংলাদেশ কি ইসরায়েল ফিলিস্তানের দিকে হাঁটছে? সরকার কি পারবেন এই রোহিঙ্গা ইস্যুর স্হানীয় কোন সমাধান দিতে এই প্রশ্ন এখন সর্ব মহলের।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই রকম আরো কিছু জনপ্রিয় সংবাদ

© All rights reserved © 2021 NagadNewsBD.Com
Design & Development BY Hostitbd.Com